এক্সক্লুসিভ সদস্যপদ
সাধারণ খেলোয়াড় থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ডায়মন্ড স্তর পর্যন্ত — Ace 67 ভিআইপি প্রোগ্রামে প্রতিটি ধাপে আপনার জন্য অপেক্ষা করছে বিশেষ বোনাস, দ্রুত উইথড্র, ডেডিকেটেড ম্যানেজার এবং আরও অনেক সুবিধা।
চারটি আলাদা স্তরে সাজানো Ace 67 ভিআইপি প্রোগ্রাম — প্রতিটি স্তরে সুবিধা বাড়তে থাকে
অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মে ভিআইপি প্রোগ্রাম এখন অনেকের কাছেই পরিচিত, কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় সুবিধাগুলো কাগজে-কলমে চমৎকার, বাস্তবে পাওয়া যায় না। Ace 67 এই জায়গাটা পরিষ্কার রেখেছে। এখানে যা বলা হয়, সেটাই পাওয়া যায়। সিলভার থেকে ডায়মন্ড — প্রতিটি স্তরে সুনির্দিষ্ট সুবিধা, নির্দিষ্ট সময়ে দেওয়া হয়।
বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের কথা মাথায় রেখে Ace 67 ভিআইপি সিস্টেম ডিজাইন করা হয়েছে। এখানে ডিপোজিটের পরিমাণ বাড়ানোর জন্য চাপ দেওয়া হয় না। আপনি যতটুকু স্বাচ্ছন্দ্যে খেলতে পারেন, ততটুকু খেলুন — আপনার পয়েন্ট জমা হতে থাকবে এবং ধীরে ধীরে আপনার স্তর উন্নত হবে। এটি একটি ন্যায্য ও স্বচ্ছ পদ্ধতি যেখানে প্রতিটি টাকার বিনিময়ে আপনি কিছু না কিছু ফিরে পাচ্ছেন।
Ace 67-এর ভিআইপি সদস্যরা প্রতি সপ্তাহে ক্যাশব্যাক পান সরাসরি তাদের অ্যাকাউন্টে — কোনো শর্ত নেই, কোনো ওয়েজারিং রিকোয়ারমেন্ট নেই। এটাই অন্যদের থেকে আলাদা করে তোলে। বেশিরভাগ প্ল্যাটফর্মে ক্যাশব্যাক পেলেও সেটা ব্যবহার করতে গেলে দশ গুণ বেট করতে হয়। Ace 67-এ সেই ঝামেলা নেই।
Ace 67-এ প্রতিটি বেটের বিপরীতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিআইপি পয়েন্ট জমা হয়। সাধারণ নিয়ম হলো প্রতি ১০০ টাকা বেটে ১ পয়েন্ট। লাইভ ক্যাসিনো ও স্লট গেমে ডাবল পয়েন্ট পাওয়া যায়। বিশেষ প্রমোশন পিরিয়ডে ট্রিপল পয়েন্টও দেওয়া হয়, যা দিয়ে দ্রুত স্তর উন্নত করা সম্ভব।
পয়েন্ট জমা হলে সেটা সরাসরি বোনাস ব্যালেন্সে রূপান্তর করা যায়। ১০০ পয়েন্ট = ৳৫০ বোনাস। এছাড়া পয়েন্ট দিয়ে ফ্রি স্পিন, এক্সক্লুসিভ টুর্নামেন্ট এন্ট্রি এবং বিশেষ উপহার পাওয়া যায়। ডায়মন্ড সদস্যরা পয়েন্টের পরিবর্তে সরাসরি ক্যাশ রিওয়ার্ড পান, যা উইথড্র করা যায়।
প্লাটিনাম ও ডায়মন্ড সদস্যরা একজন নিজস্ব অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার পান যিনি সপ্তাহে সাত দিন, চব্বিশ ঘণ্টা সহায়তার জন্য প্রস্তুত থাকেন। যেকোনো উইথড্র সমস্যা, বোনাস সংক্রান্ত জিজ্ঞাসা বা টেকনিক্যাল সমস্যায় আপনাকে সাধারণ লাইভ চ্যাট কিউতে অপেক্ষা করতে হবে না।
ম্যানেজার আপনার খেলার ধরন বুঝে ব্যক্তিগতভাবে বোনাস অফার তৈরি করেন। যেমন আপনি যদি মূলত ক্রিকেট বেটিং করেন, তাহলে আপনার জন্য ক্রিকেট-কেন্দ্রিক বিশেষ অফার আসবে। এই ব্যক্তিগতকৃত সেবাটিই Ace 67 ভিআইপি অভিজ্ঞতাকে সত্যিকার অর্থে বিশেষ করে তোলে।
Ace 67 ভিআইপি সদস্যরা যেসব এক্সক্লুসিভ সুবিধা উপভোগ করেন
প্রতি সপ্তাহে আপনার মোট বেটের উপর নির্ধারিত হারে ক্যাশব্যাক পাবেন। কোনো শর্ত নেই, সরাসরি ব্যালেন্সে যোগ হয়।
ভিআইপি সদস্যদের উইথড্র রিকোয়েস্ট সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারে প্রক্রিয়া করা হয়। ডায়মন্ড সদস্যদের জন্য তাৎক্ষণিক।
প্রতি বছর আপনার জন্মদিনে বিশেষ বোনাস ও ফ্রি স্পিন পাঠানো হয় সরাসরি অ্যাকাউন্টে।
ভিআইপি-অনলি টুর্নামেন্টে অংশ নিন যেখানে পুরস্কারের পরিমাণ বেশি কিন্তু প্রতিযোগী সংখ্যা কম।
সাধারণ সাপোর্ট লাইন বাইপাস করে সরাসরি ভিআইপি টিমের সাথে যোগাযোগ করুন যেকোনো সমস্যায়।
প্রতি সপ্তাহে রিলোড বোনাস পান। স্তর যত উঁচু, রিলোড বোনাসের হার তত বেশি — সর্বোচ্চ ৫০%।
মাত্র কয়েকটি সহজ ধাপে আপনার ভিআইপি যাত্রা শুরু হবে
চারটি ভিআইপি স্তরের সুবিধা পাশাপাশি দেখুন
| সুবিধা | সিলভার | গোল্ড | প্লাটিনাম | ডায়মন্ড |
|---|---|---|---|---|
| সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাক | ৫% | ৮% | ১২% | ১৮% |
| উইথড্র সময় | ৪৮ ঘণ্টা | ২৪ ঘণ্টা | ৬ ঘণ্টা | তাৎক্ষণিক |
| মাসিক ফ্রি স্পিন | ২০টি | ৫০টি | ১৫০টি | আনলিমিটেড |
| ডেডিকেটেড ম্যানেজার | ||||
| এক্সক্লুসিভ টুর্নামেন্ট | ||||
| জন্মদিনের বোনাস | ||||
| রিলোড বোনাস | ১০% | ২০% | ৩৫% | ৫০% |
| বিশেষ জ্যাকপট রাউন্ড | ||||
| কাস্টম বোনাস প্যাকেজ |
অনেকেই মনে করেন ভিআইপি মানে শুধু বড় বাজি ধরা। আসলে ব্যাপারটা তা নয়। Ace 67-এ ভিআইপি হওয়ার সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো আপনি একই পরিমাণ বাজি ধরে আরও বেশি ফেরত পান — ক্যাশব্যাক, ফ্রি স্পিন ও বোনাসের মাধ্যমে। এটা মূলত একটি গাণিতিক সুবিধা যা নিয়মিত খেলোয়াড়দের জন্য সংখ্যায় পার্থক্য তৈরি করে।
উদাহরণ দিয়ে বলি — ধরুন আপনি মাসে ৳৩০,০০০ বাজি ধরেন। সিলভার সদস্য হিসেবে ৫% ক্যাশব্যাকে আপনি পাচ্ছেন ৳১,৫০০। প্লাটিনামে গেলে সেটা হয় ৳৩,৬০০। এছাড়া ফ্রি স্পিন থেকে যা পাবেন সেটা আলাদা। বছরে হিসাব করলে পার্থক্যটা বেশ উল্লেখযোগ্য।
Ace 67-এর ভিআইপি প্রোগ্রাম ডিজাইন করা হয়েছে এমনভাবে যেন দীর্ঘমেয়াদি খেলোয়াড়রা সত্যিকারের পুরস্কার পান। এখানে শুধু নতুনদের জন্য ওয়েলকাম বোনাস নয়, বরং যত বেশি সময় থাকবেন, তত বেশি সুবিধা পাবেন। এটাই আমাদের মূলনীতি।
পয়েন্ট জমা হওয়ার পর সেটা রিডিম করা খুবই সহজ। আপনার Ace 67 অ্যাকাউন্টে লগইন করে ভিআইপি ড্যাশবোর্ডে যান। সেখানে আপনার মোট পয়েন্ট দেখাবে এবং এক ক্লিকেই বোনাস ব্যালেন্সে রূপান্তর করতে পারবেন। ফ্রি স্পিন চাইলে সেটাও সেখান থেকেই নেওয়া যায়।
পয়েন্টের মেয়াদ তিন মাস। তাই সময়মতো রিডিম করে নেওয়াই ভালো। ডায়মন্ড সদস্যদের পয়েন্টের মেয়াদ ছয় মাস এবং তারা পয়েন্ট সরাসরি ক্যাশে রূপান্তর করে উইথড্র করতে পারেন।
Ace 67 ভিআইপি ক্লাবের সদস্যদের সত্যিকারের অভিজ্ঞতা
"প্লাটিনামে উঠার পর থেকে উইথড্র একদম দ্রুত হয়ে গেছে। আগে ৪৮ ঘণ্টা লাগত, এখন ৬ ঘণ্টার মধ্যে টাকা পাই। Ace 67 সত্যিই কথা রাখে।"
"গোল্ড ভিআইপিতে প্রতি সপ্তাহে ৫০টি ফ্রি স্পিন পাই। গত মাসে শুধু ফ্রি স্পিন থেকেই ভালো কিছু জিতেছি। এই সুবিধাটা সত্যিই কাজে আসে।"
"ডেডিকেটেড ম্যানেজার পাওয়ার পর সব সমস্যা অনেক দ্রুত সমাধান হয়। একবার পেমেন্টে ঝামেলা হয়েছিল, ম্যানেজার নিজে ফোন করে ঠিক করে দিলেন।"
ভিআইপি প্রোগ্রাম নিয়ে প্রায়ই যা জানতে চাওয়া হয়
এখনই শুরু করুন
আজই নিবন্ধন করুন এবং প্রথম ডিপোজিটেই সিলভার ভিআইপি স্ট্যাটাস পান। প্রতিটি বাজিতে পয়েন্ট জমান, স্তর উন্নত করুন এবং ক্রমবর্ধমান সুবিধা উপভোগ করুন।